1. apbiman2015@gmail.com : Ashish Poddar Biman : Ashish Poddar Biman
  2. ganasonghoti@gmail.com : Daily Ganasonghoti : Daily Ganasonghoti
  3. jmitdomain@gmail.com : admin admin : admin admin
  4. sumonto108@gmail.com : Sumonto Sutradhar : Sumonto Sutradhar
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্তঃ
ফরিদপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর মহানগর কৃষক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ফরিদপুর জিলা স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা কমিটি গঠিত ফরিদপুরে পদ্মার তীব্র ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ডাম্পিং শুরু ​ফরিদপুরে ‘মেহনতি মোটরযান চালক শ্রমিক ফেডারেশন’-এর জেলা কার্যালয় উদ্বোধন ও নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান ছয় বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার দায়ে প্রতিবেশী বৃদ্ধের সাত বছরের কারাদণ্ড ফরিদপুর পৌরসভায় দরিদ্রদের মাঝে ক্ষুদ্রঋণ ও বিদ্যালয়ে পানির উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি নায়াব ইউসুফ শিশু ক্লাসে ভর্তি না নেওয়ার ফলে মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী, গুচ্ছগ্রামের শিশুদের ভর্তি না নেওয়ার কারণে তারা স্কুলে যেতে পারছে না।বোয়ালমারীতে নিলাম ছাড়াই সরকারি ভবন বিক্রি, স্কুলের মেরামতের ২ লক্ষ টাকার নেই কোন ভাউচার এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের দায়ে আরেক মাদ্রাসাছাত্রের ৫ বছরের কারাদণ্ড ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষকে ফুলেল সংবর্ধনা
শিরোনাম :
ফরিদপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুর মহানগর কৃষক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ফরিদপুর জিলা স্কুল অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ ও উপদেষ্টা কমিটি গঠিত ফরিদপুরে পদ্মার তীব্র ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ডাম্পিং শুরু ​ফরিদপুরে ‘মেহনতি মোটরযান চালক শ্রমিক ফেডারেশন’-এর জেলা কার্যালয় উদ্বোধন ও নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান ছয় বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার দায়ে প্রতিবেশী বৃদ্ধের সাত বছরের কারাদণ্ড ফরিদপুর পৌরসভায় দরিদ্রদের মাঝে ক্ষুদ্রঋণ ও বিদ্যালয়ে পানির উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি নায়াব ইউসুফ শিশু ক্লাসে ভর্তি না নেওয়ার ফলে মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী, গুচ্ছগ্রামের শিশুদের ভর্তি না নেওয়ার কারণে তারা স্কুলে যেতে পারছে না।বোয়ালমারীতে নিলাম ছাড়াই সরকারি ভবন বিক্রি, স্কুলের মেরামতের ২ লক্ষ টাকার নেই কোন ভাউচার এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের দায়ে আরেক মাদ্রাসাছাত্রের ৫ বছরের কারাদণ্ড ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের নবনিযুক্ত অধ্যক্ষকে ফুলেল সংবর্ধনা

ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে বাঁধাগ্রস্ত অনলাইন পড়াশোনা।

  • Update Time : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৩০৩৭ Time View

তন্ময় বিশ্বাসঃ পৃথিবীর সব কিছু ঠিকই চলছিল হঠাৎই চীনের মরন ভাইরাস, যেটা সবাই করোনা নামেই জানে, তার জন্য পুরো পৃথিবী থমকে গেছে। আমাদের মৌলিক চাহিদার বেশির ভাগই হুমকির মুখে। অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার পাশাপাশি আমাদের মেরুদণ্ড যার উপর নির্ভর করে সেই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত লাখো লাখো শিক্ষার্থী। জানিনা কবে নাগাদ এই ভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে জাতি মুক্তি পাবে।

 

 

সরকার ১৮ই মার্চ থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ অবধি প্রায় ৫ মাস সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ। সেই সাথে বন্ধ সকল কোচিং সেন্টার, বাসায় গিয়ে টিউশনি করানো। এতে বিশিষ্টজনরা মনে করেন শিক্ষার্থীরা বড় একটা ক্ষতির মুখে পরবে। অন্যদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত চেষ্টায় বিভিন্ন দেশের সাথে তাল মিলিয়ে বাচ্চাদের বই এর সাথে সম্পৃক্ত রাখতে অনলাইন ভিত্তিক পাঠদানের পরামর্শ দেন। সেই থেকে সারাদেশের শিক্ষকগণ পাঠদানের জন্য সচেষ্ট হন এবং পাঠদান শুরু করেন।

 

 

যেহেতু সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের সপ্ন দেখেছেন তাই এই পদক্ষেপটা ভাল একটা ফল এনে দেবে আসা করেছিলেন সবাই। কিন্তু, সেই আসা নিরাশায় ডুবে গেছে গ্রাম অঞ্চলের  ধীরগতির ইন্টারনেট সেবার জন্য। অনলাইন ভিত্তিক পাঠদানের জন্য যে দুটি জিনিস প্রয়োজন তা হলো,স্মার্ট ফোন/ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট সংযোগ। প্রায় প্রতি পরিবারে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ এর সিম আছে। কিন্তু, ইন্টারনেট সেবা গ্রহণ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সমাজিক মাধ্যম যেমন, ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ইমো, জুম ইত্যাদিতে পাঠদানের রুটিন এ উল্লেখিত সময় মত প্রবেশ করতে পারছে না কারণ ইন্টারনেট এর গতি খুবই কম। এটা মূলত আমি গ্রামের কথা বলছি। তবে এটাতে সুবিধা ভোগ করছে শহর এর শিক্ষার্থীরা তাদের ওয়াই ফাই সংযোগ থাকায় এবং ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের  সুদৃষ্টি শহরমুখী হওয়ায় তারা নিয়মিত অনলাইন পড়াশোনায় অংশ নিতে পারছে। যেহেতু ৭৮.৬% লোক গ্রামে বাস করে এবং এর বড় একটা অংশ শিক্ষার্থী।

 

 

বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বঞ্চিত করে এই অনলাইন ভিত্তিক পাঠদানের সুফল আসা করা বোকামি ছাড়া কিছু নয়। যদি বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীনফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটক এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই অবহেলিত গ্রাম এর শিক্ষার্থীদের দিকে সুদৃষ্টি রাখত। তাহলে, এই ধীর গতির ইন্টারনেট সেবার জন্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠী শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হতো না। পাশাপাশি এই সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে সরকারের একটা সমন্বয় দরকার।

 

 

মণীপুর স্কুল এ্যান্ড কলেজের ৬ষ্ট শ্রেণির শিক্ষার্থী দিব্য রায় বলে- ঢাকাতে যতদিন থাকি আমার অনলাইন পাঠে অংশ নিচ্ছি এবং শিক্ষকগণ বাড়ির কাজ যা দিয়ে থাকে নিয়মিত শেষ করি। অন্যদিকে গ্রামে মামা বাড়িতে যতদিন ছিলাম আমি ইন্টারনেটের কারনে  এই ক্লাস করতে পারি নাই। অন্য দিকে গ্রামের শিক্ষকগণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ধীরগতির ইন্টারনেট সেবার জন্য পড়ালেখা থেকে বেশ কিছুটা দূরে সরে গেছে। যা পুরা জাতির জন্য হতাশাজনক। এই পথ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা এবং এর সহজলভ্যতা।

Please Share This Post...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
The Daily Ganasonghoti © 2020
support By : Ganasonghati