1. apbiman2015@gmail.com : Ashish Poddar Biman : Ashish Poddar Biman
  2. ganasonghoti@gmail.com : Daily Ganasonghoti : Daily Ganasonghoti
  3. jmitdomain@gmail.com : admin admin : admin admin
  4. sumonto108@gmail.com : Sumonto Sutradhar : Sumonto Sutradhar
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্তঃ
বোয়ালমারীতে ঐতিহ্যের টানে দাদুড়িয়া বিলে পলো উৎসব, মাছ না পেয়ে হতাশ শিকারিরা মধুখালীতে পানির গর্তে পড়ে ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে দিলো না সন্তান! যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার দাফন নিয়ে ভাইবোনদের বিরোধ ফরিদপুরে অগ্নিকান্ডে ৭টি পাটের গুদাম ভষ্মিভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় দুই কোটিকা খেলোয়াড়দের অবসরকালীন ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে- হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি ফরিদপুরে শতবর্ষী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় পুনর্মিলনী ও গুণীজন সংবর্ধনা কথা পরিষ্কার- কোন ধান্দাবাজ, চান্দাবাজ, মাদকসেবী যুবদলে ঠাঁই পাবে না।-শহিদুল ইসলাম(বাবুল) ফরিদপুরে বালু বাহী ট্রাক চাপায় মা-ছেলে নিহত ফরিদপুরে এম্বুলেন্স-বাস মুখোমুখি সংঘর্ষ,নিহত-৩, আহত ৪
শিরোনাম :
বোয়ালমারীতে ঐতিহ্যের টানে দাদুড়িয়া বিলে পলো উৎসব, মাছ না পেয়ে হতাশ শিকারিরা মধুখালীতে পানির গর্তে পড়ে ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বাবার শেষ ইচ্ছা পূরণ করতে দিলো না সন্তান! যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার দাফন নিয়ে ভাইবোনদের বিরোধ ফরিদপুরে অগ্নিকান্ডে ৭টি পাটের গুদাম ভষ্মিভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় দুই কোটিকা খেলোয়াড়দের অবসরকালীন ভাতা প্রদানের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে- হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি ফরিদপুরে শতবর্ষী বাকীগঞ্জ ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় পুনর্মিলনী ও গুণীজন সংবর্ধনা কথা পরিষ্কার- কোন ধান্দাবাজ, চান্দাবাজ, মাদকসেবী যুবদলে ঠাঁই পাবে না।-শহিদুল ইসলাম(বাবুল) ফরিদপুরে বালু বাহী ট্রাক চাপায় মা-ছেলে নিহত ফরিদপুরে এম্বুলেন্স-বাস মুখোমুখি সংঘর্ষ,নিহত-৩, আহত ৪

ফরিদপুর আওয়ামীলীগের দুঃসময়ের যোদ্ধা বিপুল ঘোষ-কে মাঠে চায় তৃনমূল নেতা-কর্মীরা

  • Update Time : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ২৩৮৩ Time View

 

নিজস্ব প্রতিনিধি :
ফরিদপুরের আওয়ামী লীগের ইতিহাসে লড়াই-সংগ্রামের যে কয়জন সাহসী যোদ্ধা ছিলেন তাদের অন্যতম একজন সাবেক কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা বিপুল ঘোষ। ১৯৭৩ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির বড় কোন দায়িত্ব পান প্রথম। দায়িত্ব পালন করা সময়ে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ১৯৭৬ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী তাকে আটক করা হয়। এসময় একটানা ৪৭ মাস তাকে থাকতে হয় ফরিদপুর ও যশোর জেলে। জেল জীবন কালিন সময়ে তার উপর চালানো হয় শাররীক ও মানুষিক ভাবে নির্যাতন। কারাগারে তাকে কারেন্টের শর্ক পর্যন্ত দেওয়া হতো প্রতিনিয়ত। যশোর কারাগারে বিপুল ঘোষকে এমন সেলে রাখা হতো সেখানে শীতের দিনে ঠান্ডা বাতাস আসতো, কিন্তু গরমের দিনে কোনো আলো বাতাস আসতে পারতো না। এরপরে ১৯৮০ সালে তাকে মুক্তি দেয়া হলে জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক করা হয় দল থেকে। এসময় একই সাথে ফরিদপুর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
এরপর ১৯৮২/৮৩ সালের দিকে জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে তিনি হন সাধারন সম্পাদক প্রাথর্ী। সেখানে ফরিদপুরের আওয়ামীলীগের বীর সেনা ইমামউদ্দিন আহমেদ ও কেএম নুরনবী হন একটি প্যানেল। অপর প্যানেলটি হয় ফিরোজ সাহেব ও বিপুল ঘোষ একটি প্যানেল।
সম্মেলনে সাবেক পানি সম্পদমন্ত্রী প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক প্রধান অতিথি হিসেবে আসেন সম্মেলন করতে। দুই পক্ষই অনড় থাকায় ভোট হয় পদের বিপরীতে। এতে বিপুল ঘোষের প্যানেল পায় ৯টি ভোটের মধ্যে ৭টি ভোট। পরে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রয়াত সালাউদ্দিন ইউসুফ সমঝোতায় বিপুল ঘোষকে ১নং যুগ্ম সম্পাদক বানানো হয়।
বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি কর্ণেল ফারুককে ফরিদপুর নামক জনপদ থেকে প্রতিরোধ করা হয় বিপুল ঘোষ ও ফারুক হোসেনের নেতৃত্বে। তার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ বিরোধী সমাবেশ করতে আসা ড. কামাল হোসেনকে রুখে দেন দলের বিশেষ নির্দেশে।
স্বৈরচার সরকার, বিএনপি ও জামাত সরকার ক্ষমতা থাকা সময়ে কঠোর আন্দোলনে ভূমিকা নেয়া বিপুল ঘোষ ও প্রয়াত হাসিবুল হাসান লাভলু এখনও ফরিদপুর অঞ্চলের এক মহান নাম। তাদের দুজনের দলের প্রতি অগাধ ত্যাগ ও দূদিনের সারথী বলা হয়ে থাকে।
এরপর ১৯৯২ সালের জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন হয় এতে বিপুল ঘোষ বিনা প্রতিদ্ধন্দিতায় দলের সাধারন সম্পাদক নিবার্চিত হন। তিনি ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত জেলা আওয়ামীলীগের একটানা ১৩ বছর দায়িত্ব পালন করেন। সভাপতি মৃত্যু বরন করায় কমিটি ভেঙ্গে গেলে ২০০৫ সাল থেকে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন মরহুম ভাষা সৈনিক মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ইমাম উদ্দিন আহমাদের সাথে। সে বছরই হয় জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন। এতে তিনি দলের সভাপতি পদে প্রতিদ্ধন্দিতা করলে দলের হাইকমান্ড কেন্দ্রীয় নিবার্হী কমিটির সদস্য পদে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ করেন তাকে। বিপুল ঘোষ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় পথ চলেছেন দুঃসাহসিকভাবে ২০১২ সাল পর্যন্ত।
ফরিদপুরে আওয়ামীলীগের দুঃসময় দলকে সুসংগঠিত করা আর কমর্ী তৈরীর দুঃসাহসিক যুদ্ধে নিজেকে নিবেদিত করেছেন সব সময়ে। ১৯৭৬ সালের পর থেকে ১৭বার কারাবরন করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায়। তিনি আর তার বড় ভ্রাতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক বিভূতি ভূষণ ঘোষ দুজনই আওয়ামী লীগের দুরদিনের কান্ডারী। বার বার কারাবরন, আর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের জন্য স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের নানা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তারা। তাদেরকে হত্যা করার নক্সা করা হয়েছে বার বার। হামলাও হয়েছে বেশ কয়েকবার তাদের উপর।
তবে বনার্ঢ্যময় এই রাজনীতিবীদকে ২০০৮ সালের নিবার্চনের পর থেকে অনুপ্রবেশকারী পদভারে নানা রকম নিযার্তন করে দলের সব কিছু থেকে বিচ্যুত করা হয়। ঘরবন্দি অবস্থায় জীবন সময় পার করতে ব্যবস্থা করেন এক রকম বাধ্য করে দল ক্ষমতা থাকা সময়ে রাজনীতিতে আওয়ামী লীগে ঢুকে পড়ে গুপ্তচর, হাইব্রিড অনুপ্রবেশকারীরা। আজ ফরিদপুরের নেতৃত্বের সঙ্কটে সাধারণ নেতা-কমর্ীদের দাবী দলের প্রয়োজনেই এই দুঃসাহসিক, ত্যাগী আওয়ামী লীগ নেতাকে মাঠে প্রয়োজন। দলের এই সময়ে তার মতো নেতার মূল্যায়নের আশায় দলের তৃনমূল নেতা কর্মী।

Please Share This Post...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
The Daily Ganasonghoti © 2020
support By : Ganasonghati