1. apbiman2015@gmail.com : Ashish Poddar Biman : Ashish Poddar Biman
  2. ganasonghoti@gmail.com : Daily Ganasonghoti : Daily Ganasonghoti
  3. jmitdomain@gmail.com : admin admin : admin admin
  4. sumonto108@gmail.com : Sumonto Sutradhar : Sumonto Sutradhar
রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
সদ্যপ্রাপ্তঃ
নগরকান্দায় ৮ বছর বয়সী শিশুর ম/র/দে/হ উদ্ধার, ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধন শালদুধ ও মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই ফরিদপুরে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ ফরিদপুরে র‍্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ফরিদপুরে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্লাস্টিক বর্জনের আহ্বানে ফরিদপুরে মানববন্ধন পাট পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের দাবি ফরিদপুরে গভীর রাতে বসতঘরের জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ছিনতাইকারী গ্যাংয়ের হামলায় আহত সাংবাদিক জাকিব ফরিদপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় মায়ের মৃ/ ত্যু বিচারাধীন জমি বিরোধে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলার অভিযোগ ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমানের
শিরোনাম :
নগরকান্দায় ৮ বছর বয়সী শিশুর ম/র/দে/হ উদ্ধার, ফরিদপুরে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬-এর উদ্বোধন শালদুধ ও মায়ের বুকের দুধের বিকল্প নেই ফরিদপুরে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ ফরিদপুরে র‍্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ফরিদপুরে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্লাস্টিক বর্জনের আহ্বানে ফরিদপুরে মানববন্ধন পাট পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের দাবি ফরিদপুরে গভীর রাতে বসতঘরের জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে (১৫) অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ছিনতাইকারী গ্যাংয়ের হামলায় আহত সাংবাদিক জাকিব ফরিদপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় মায়ের মৃ/ ত্যু বিচারাধীন জমি বিরোধে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ মামলার অভিযোগ ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমানের

যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা চিন্তাও করি না: প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩৭৮ Time View

যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা চিন্তাও করি না: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে অনেক কথা বলে। কিন্তু বিএনপি ট্রেনে আগুন দিয়ে মা, শিশু পুড়িয়ে হত্যা করলো সে ব্যাপারে তাদের মুখ বন্ধ। তাদের দ্বিমুখী আচরণ কারণে একসময় তাদেরই খেসারত দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সম্প্রচারিত লেটস টক-এ শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি যেনতেনভাবে ক্ষমতায় যাওয়া কিংবা কারও সঙ্গে দেশের স্বার্থ বিক্রি করে, মানবতার সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা কখনো করেননি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সম্পদ গ্যাস। ৯৬ সালে অন্য কোম্পানির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও গ্যাস উত্তোলন করে। তবে তারা গ্যাসটা বিক্রি করার কথা বললে, আমি আপত্তি করি। এর খেসারতও আমাকে দিতে হয়েছে। ২০০১ সালের নির্বাচনে আমাকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। ২০০১ সালের নির্বাচনে দেশের ভেতর আর বাইরের চক্রান্ত এক হয়ে গেল।

তিনি আরও বলেন, আজকে মানবাধিকারের কথা নিয়ে তারা প্রশ্ন তোলে। শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কথা তোলে। দুর্ভাগ্যের বিষয়টি হলো— নিজের দেশের দিকে তাকায় না। জাতিসংঘে আমি ফিলিস্তিনি ইস্যুটা তুলেছিলাম। ইইউতেও আমি যখন গেলাম, তখন খুব শক্তভাবে এই প্রশ্নটা তুলেছিলাম— ফিলিস্তিনি শিশু ও নারীদের মারা হচ্ছে, এখন কেন সবাই চুপ? এমনকি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দুই-দুবার যুদ্ধ বন্ধের জন্য যে প্রস্তাব আসে, তাতে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দিল।

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, আমেরিকায় মানুষের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু তারা অন্য জায়গায় এসে খবরদারি করে। এই মোড়লিপনা যে তাদের কে করতে দিল, আমি সেটি জানি না। আমি এ বিষয়টি সবার আগে আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেছি এবং প্রতিবাদও করেছি। তারা আমাদের শ্রম অধিকার নিয়ে কথা বলে। তাদের ওখানে কর্মীরা একটা স্ট্রাইক করলে সবাইকে চাকরি থেকে বের করে দেয়। এতে তাদের কিছু আসে যায় না। কিন্তু অন্য দেশের বেলা নাক গলায়। ইরানে শাহ পালভীর যখন পতন হয়, তিনি একটা কথা বলেছিলেন— আমেরিকা যার বন্ধু হবে, তার শত্রু লাগে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাজার হাজার যুবক ইউক্রেনে জীবন দিয়েছে। রিফিউজি হয়েছে কত মানুষ। এখন যুক্তরাষ্ট্র বলছে— তাদের টাকা নেই, দিতে পারবে না, করতে পারবে না সহায়তা। তা হলে যুদ্ধটা বাঁধালো কেন? এই উসকানি তারা দিল কেন? রাশিয়ার এই আক্রমণ আমরা সমর্থন করিনি। জাতিসংঘে আমরা খুব হিসাব করে পা ফেলি। কারণ আমাদের পররাষ্ট্রনীতি হলো— সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। কিন্তু ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের এক স্ট্যান্ড, আবার ওই দিকে ফিলিস্তিনি শিশুদের হাসপাতালে বোম ফেলা। সাধারণ মানুষকে বোমা ফেলে হত্যা করা বন্ধ না করে তারা ইসরাইলকে উল্টো আরও অস্ত্র কেনার টাকা দিচ্ছে। ইস্যুতে ইসরাইলকে তারা উল্টো আরও টাকা দিচ্ছে অস্ত্র কেনার জন্য। এদের মানবাধিকারের ডেফিনেশন, কী সেটিই আমরা বুঝলাম না। পৃথিবী মনে হয় এটা বুঝতে পারেনি। তবে সারা বিশ্বে এ ব্যাপারে সচেতন।

যুক্তরাষ্ট্রকে একসময় খেসারত দিতে হবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা ইলেকশনের ব্যাপারে অনেক কথা বলে। যখন তাদের প্রশ্ন করা হয়— এই যে বিএনপি ট্রেনে আগুন দিয়ে মা, শিশু পুড়িয়ে ফেলল। এ ব্যাপারে তাদের মুখ বন্ধ। কোনো কথা বলে না। কাজেই এদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে এদের নিজেদেরই একসময় খেসারত দিতে হবে। এটি হলো বাস্তবতা।

Please Share This Post...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
The Daily Ganasonghoti © 2020
support By : Ganasonghati